সংবাদ শিরোনাম:




চিকিৎসা নিতে গিয়ে চিকিৎসকের লাগাতার ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 01:43:32 am, Saturday, 15 February 2020
  • 1 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥  নারায়ণগঞ্জে চিকিৎসা নিতে গিয়ে চিকিৎসকের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী। ধর্ষণের ঘটনা ভিডিও করে গত তিন বছর ধরে তাকে ধর্ষণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ভিকটিমের।

অভিযুক্ত ডা. আমিনুল ইসলাম নারায়ণগঞ্জ খানপুর ৩০০ শয্যার হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রার। তিনি জেনারেল কলোরেস্টাল, ল্যাপারোস্কপিক ও প্লাস্টিক সার্জন এবং বার্ন বিশেষজ্ঞ। নির্যাতনের শিকার ওই রোগী বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা।

এ ঘটনায় বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক মোহাম্মদ শাহীন উদ্দীনের আদালতে ওই নারী ডা. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের ৩১ জুলাই থাইরয়েডের চিকিৎসার জন্য ডা. আমিনুল ইসলামের খানপুরের চেম্বারে যান। ওই বছরের ২০ আগস্ট আবার ডাক্তারের কাছে গেলে আমিনুল ইসলাম বাদীকে ইনজেকশন দিয়ে অচেতন করে ফেলেন। এরপর তাকে ধর্ষণ ও সেই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে রাখেন। ওই নারীর চেতনা ফিরলে তিনি চিৎকার করলে ডাক্তার ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেন।

এরপর ভয় দেখিয়ে তাকে যখন খুশি তখন ধর্ষণ করতেন আমিনুল। বাদী বিবাহিত ও আত্মসম্মানের ভয়ে বিষয়টি স্বামীর কাছে লুকিয়ে রাখে সেই ঘটনা। পরে তার স্বামীর কাছে ডাক্তার পিয়ন দিয়ে খবর পাঠায় যে তার স্ত্রীর কিছু টেস্ট করাতে হবে। ওই নারী তার বোনকে সঙ্গে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যান। এরপর ডাক্তার তার বোনকে চেম্বার থেকে বের করে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এভাবে কয়েক দফা ধর্ষণে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এ ঘটনা নারীর স্বামী বুঝতে পেরে তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

বাদীর আইনজীবী শরীফুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তিন বছর ধরে ধর্ষণ করেছে ডা. আমিনুল। এ ঘটনায় আদালতে মামলাটি গ্রহণ পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে ডা. আমিনুল ইসলামকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

ক্ষুধার্ত বাবাকে খাওয়াতে চা-রুটি নিয়ে গেল শিশুসন্তান

চিকিৎসা নিতে গিয়ে চিকিৎসকের লাগাতার ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী

প্রকাশের সময় : 01:43:32 am, Saturday, 15 February 2020

ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥  নারায়ণগঞ্জে চিকিৎসা নিতে গিয়ে চিকিৎসকের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী। ধর্ষণের ঘটনা ভিডিও করে গত তিন বছর ধরে তাকে ধর্ষণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ভিকটিমের।

অভিযুক্ত ডা. আমিনুল ইসলাম নারায়ণগঞ্জ খানপুর ৩০০ শয্যার হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রার। তিনি জেনারেল কলোরেস্টাল, ল্যাপারোস্কপিক ও প্লাস্টিক সার্জন এবং বার্ন বিশেষজ্ঞ। নির্যাতনের শিকার ওই রোগী বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা।

এ ঘটনায় বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক মোহাম্মদ শাহীন উদ্দীনের আদালতে ওই নারী ডা. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের ৩১ জুলাই থাইরয়েডের চিকিৎসার জন্য ডা. আমিনুল ইসলামের খানপুরের চেম্বারে যান। ওই বছরের ২০ আগস্ট আবার ডাক্তারের কাছে গেলে আমিনুল ইসলাম বাদীকে ইনজেকশন দিয়ে অচেতন করে ফেলেন। এরপর তাকে ধর্ষণ ও সেই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে রাখেন। ওই নারীর চেতনা ফিরলে তিনি চিৎকার করলে ডাক্তার ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেন।

এরপর ভয় দেখিয়ে তাকে যখন খুশি তখন ধর্ষণ করতেন আমিনুল। বাদী বিবাহিত ও আত্মসম্মানের ভয়ে বিষয়টি স্বামীর কাছে লুকিয়ে রাখে সেই ঘটনা। পরে তার স্বামীর কাছে ডাক্তার পিয়ন দিয়ে খবর পাঠায় যে তার স্ত্রীর কিছু টেস্ট করাতে হবে। ওই নারী তার বোনকে সঙ্গে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যান। এরপর ডাক্তার তার বোনকে চেম্বার থেকে বের করে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এভাবে কয়েক দফা ধর্ষণে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এ ঘটনা নারীর স্বামী বুঝতে পেরে তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

বাদীর আইনজীবী শরীফুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তিন বছর ধরে ধর্ষণ করেছে ডা. আমিনুল। এ ঘটনায় আদালতে মামলাটি গ্রহণ পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে ডা. আমিনুল ইসলামকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।