সংবাদ শিরোনাম:




গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 10:07:33 pm, Tuesday, 29 June 2021
  • 1 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ইমরান (২১) ও রিপন শেখ (৩৬) নামের দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ জুন) মুন্সীগঞ্জ আমলি আদালত-১ এ গ্রেফতারকৃতরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

 

 

জানা যায়, ইমরান এম আর ফুড অ্যান্ড কেমিক্যাল কারখানার কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। তার সঙ্গে ওই গৃহবধূর মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ইমরান দেখা করার কথা বলে ২৭ জুন বিকেলে ঢাকা থেকে নারীকে শ্রীনগর নিয়ে আসেন। পরে রাতে তার কারখানায় নিয়ে গেলে সেখানে আগে থেকেই থাকা সহযোগী রিপন শেখসহ আরো চারজনে মিলে তাকে ধর্ষণ করেন।

 

 

ওই নারী কারখানা থেকে পালিয়ে বাইরে এসে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরদিন ইমরান ও রিপনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বাকি দুজন পলাতক রয়েছে।

 

 

মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শ্রীনগর সার্কেল) আসাদুজ্জামান জানান, ৯৯৯-এ ভুক্তভোগীর ফোন পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা রুজু হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজন আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জড়িত বাকি দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

ক্ষুধার্ত বাবাকে খাওয়াতে চা-রুটি নিয়ে গেল শিশুসন্তান

গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

প্রকাশের সময় : 10:07:33 pm, Tuesday, 29 June 2021

ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ইমরান (২১) ও রিপন শেখ (৩৬) নামের দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ জুন) মুন্সীগঞ্জ আমলি আদালত-১ এ গ্রেফতারকৃতরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

 

 

জানা যায়, ইমরান এম আর ফুড অ্যান্ড কেমিক্যাল কারখানার কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। তার সঙ্গে ওই গৃহবধূর মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ইমরান দেখা করার কথা বলে ২৭ জুন বিকেলে ঢাকা থেকে নারীকে শ্রীনগর নিয়ে আসেন। পরে রাতে তার কারখানায় নিয়ে গেলে সেখানে আগে থেকেই থাকা সহযোগী রিপন শেখসহ আরো চারজনে মিলে তাকে ধর্ষণ করেন।

 

 

ওই নারী কারখানা থেকে পালিয়ে বাইরে এসে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরদিন ইমরান ও রিপনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বাকি দুজন পলাতক রয়েছে।

 

 

মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শ্রীনগর সার্কেল) আসাদুজ্জামান জানান, ৯৯৯-এ ভুক্তভোগীর ফোন পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা রুজু হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজন আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জড়িত বাকি দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।