বিজ্ঞপ্তি :
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প
সংবাদ শিরোনাম:
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প




গত ২৪ ঘণ্টায় ছয় জনসহ ৩ মাসে শেবাচিমের করোনা ওয়ার্ডে ১০১ রোগীর মৃত্যু

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 11:23:14 pm, Wednesday, 1 July 2020
  • 0 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ গত ২৪ ঘণ্টায় ছয় জনসহ তিন মাসে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০১ জন রোগী মারা গেছেন। এতো রোগীর মৃত্যুর জন্য করোনা ওয়ার্ডের চিকিৎসাহীনতাকে দায়ী করেছেন মৃতদের স্বজনরা। তাদের দাবী, করোনা ওয়ার্ডে নামমাত্র চিকিৎসা হয়। ডাক্তাররা রোগীর কাছেই যান না। কোনো রোগীর অবস্থা খারাপ হলেও ডাক্তার ডেকে পাওয়া যায় না। বিশেষ করে শ্বাসকষ্টের রোগীদের ফেলে রাখা হয় অক্সিজেন এবং আইসিইউ সেবা ছাড়াই।

 

 

ডাক্তারদের তদারকীর অভাবে একের পর এক রোগী মারা যাচ্ছে বলে দাবি ওই ওয়ার্ডে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের স্বজনদের। তবে ভূক্তভোগীদের এই দাবি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন।

 

 

তিনি বলেন, ‘সাধারণ যেসব রোগী এখানে আসেন, তারা মুমূর্ষ অবস্থায় আসেন। তাদের চিকিৎসার সব ধরনের ব্যবস্থা এখানে রয়েছে। তবে তাদের অবস্থা খুব খারাপ থাকায় তারা মারা গেছেন।

 

 

করোনা ওয়ার্ড তত্ত্বাবধায়ককারী হাসপাতালের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ডা. এস এম মনিরুজ্জামান জানান, গত ১৭ মার্চ থেকে ১ জুলাই পর্যন্ত শের-ই বাংলা মেডিক‌্যালের করোনা ওয়ার্ডে মোট ৬৮৫ জন রোগী ভর্তি হন। এর মধ্যে ২৬৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। করোনায় মৃত ১০১ জন রোগীর মধ‌্যে ৩৭ জনের করোনা পজিটিভ ছিলো।

 

 

শের-ই বাংলা মেডিকেলের করোনা ওয়ার্ডে গত ২৯ মার্চ প্রথম এক রোগীর মৃত্যু হয়। সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত গত ৩ মাসে ১০১ জন রোগীর মৃত্যু হলো।

 

 

এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৬৬ জন। এর মধ্যে ১৮৫ জনের করোনা পজিটিভ ছিলো।

 

 

এদিকে শেবাচিমের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিয়ে রোগীর স্বজনদের অভিযোগের বিষয়ে বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন ডা. এস এম মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘রোগীর স্বজনদের অভিযোগ থাকতে পারে। তবে আমরা সল্প জনবল নিয়ে যথাসাধ‌্য রোগীদের সেবা করে যাচ্ছি। শুধু শেবাচিম হাসপাতালেই নয়, গোটা জেলাজুড়ে চিকিৎসক সংকট রয়েছে। এই সংকট নিয়েও আমারা বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে শেবাচিম হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ডিউটির জন্য চিকিৎসক প্রেরণ করেছি। তবুও সংকট রয়ে গেছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

Facebook

ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

গত ২৪ ঘণ্টায় ছয় জনসহ ৩ মাসে শেবাচিমের করোনা ওয়ার্ডে ১০১ রোগীর মৃত্যু

প্রকাশের সময় : 11:23:14 pm, Wednesday, 1 July 2020

ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ গত ২৪ ঘণ্টায় ছয় জনসহ তিন মাসে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০১ জন রোগী মারা গেছেন। এতো রোগীর মৃত্যুর জন্য করোনা ওয়ার্ডের চিকিৎসাহীনতাকে দায়ী করেছেন মৃতদের স্বজনরা। তাদের দাবী, করোনা ওয়ার্ডে নামমাত্র চিকিৎসা হয়। ডাক্তাররা রোগীর কাছেই যান না। কোনো রোগীর অবস্থা খারাপ হলেও ডাক্তার ডেকে পাওয়া যায় না। বিশেষ করে শ্বাসকষ্টের রোগীদের ফেলে রাখা হয় অক্সিজেন এবং আইসিইউ সেবা ছাড়াই।

 

 

ডাক্তারদের তদারকীর অভাবে একের পর এক রোগী মারা যাচ্ছে বলে দাবি ওই ওয়ার্ডে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের স্বজনদের। তবে ভূক্তভোগীদের এই দাবি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন।

 

 

তিনি বলেন, ‘সাধারণ যেসব রোগী এখানে আসেন, তারা মুমূর্ষ অবস্থায় আসেন। তাদের চিকিৎসার সব ধরনের ব্যবস্থা এখানে রয়েছে। তবে তাদের অবস্থা খুব খারাপ থাকায় তারা মারা গেছেন।

 

 

করোনা ওয়ার্ড তত্ত্বাবধায়ককারী হাসপাতালের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ডা. এস এম মনিরুজ্জামান জানান, গত ১৭ মার্চ থেকে ১ জুলাই পর্যন্ত শের-ই বাংলা মেডিক‌্যালের করোনা ওয়ার্ডে মোট ৬৮৫ জন রোগী ভর্তি হন। এর মধ্যে ২৬৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। করোনায় মৃত ১০১ জন রোগীর মধ‌্যে ৩৭ জনের করোনা পজিটিভ ছিলো।

 

 

শের-ই বাংলা মেডিকেলের করোনা ওয়ার্ডে গত ২৯ মার্চ প্রথম এক রোগীর মৃত্যু হয়। সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত গত ৩ মাসে ১০১ জন রোগীর মৃত্যু হলো।

 

 

এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৬৬ জন। এর মধ্যে ১৮৫ জনের করোনা পজিটিভ ছিলো।

 

 

এদিকে শেবাচিমের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিয়ে রোগীর স্বজনদের অভিযোগের বিষয়ে বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন ডা. এস এম মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘রোগীর স্বজনদের অভিযোগ থাকতে পারে। তবে আমরা সল্প জনবল নিয়ে যথাসাধ‌্য রোগীদের সেবা করে যাচ্ছি। শুধু শেবাচিম হাসপাতালেই নয়, গোটা জেলাজুড়ে চিকিৎসক সংকট রয়েছে। এই সংকট নিয়েও আমারা বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে শেবাচিম হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ডিউটির জন্য চিকিৎসক প্রেরণ করেছি। তবুও সংকট রয়ে গেছে।