বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




খালেদা জিয়ার প্রয়াণে জাতি হারাল এক অভিভাবক: প্রধান উপদেষ্টা

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 10:54:10 am, Tuesday, 30 December 2025
  • 4 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ডেস্ক রিপোর্ট ॥ বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশ এক অভিজ্ঞ, পরীক্ষিত ও কালজয়ী রাজনীতিককে হারাল বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দেওয়া এক শোকবার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি তার এক মহান অভিভাবককে হারিয়েছে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই ক্ষতিতে গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। তার রাজনৈতিক জীবন ও অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খালেদা জিয়া কেবল বিএনপির চেয়ারপারসন ছিলেন না; তিনি ছিলেন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক শক্তিশালী প্রতীক। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বহুদলীয় রাজনীতির বিকাশ এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার অবদান অনস্বীকার্য। তার আপোষহীন নেতৃত্ব দেশকে স্বৈরশাসনের অন্ধকার সময় থেকে মুক্ত করার সাহস যুগিয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৮২ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর রাজনীতিতে এসে খালেদা জিয়া যে সংগ্রামী ভূমিকা গ্রহণ করেন, তা বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অনন্য উদাহরণ। স্বৈরশাসক এরশাদের দীর্ঘ ৯ বছরের শাসনের অবসানে তার নেতৃত্ব ছিল অন্যতম প্রধান শক্তি।

প্রধান উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, নারী শিক্ষার প্রসারে খালেদা জিয়ার ভূমিকা দেশের সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালু করে তিনি নারীদের শিক্ষায় অংশগ্রহণ বাড়ানোর পথ সুগম করেন। একই সঙ্গে ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর অর্থনৈতিক উদারীকরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করার উদ্যোগ নেন।

রাজনৈতিক জীবনে তার সাফল্যের কথা তুলে ধরে প্রফেসর ইউনূস বলেন, খালেদা জিয়া তার পুরো জীবনে কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। তিনি একাধিক আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে সংসদীয় রাজনীতিতে একটি বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে খালেদা জিয়া ছিলেন সংগ্রাম ও প্রতিরোধের এক অনন্য প্রতীক। আপোষহীন অবস্থানের কারণেই তাকে চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে এবং ১৭ বছর কারাবরণ করতে হয়েছে।

এই অপূরণীয় ক্ষতির দিনে প্রফেসর ইউনূস মরহুমার শোকসন্তপ্ত পরিবার, বিএনপির নেতাকর্মী এবং দেশবাসীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করার অনুরোধ করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

খালেদা জিয়ার প্রয়াণে জাতি হারাল এক অভিভাবক: প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশের সময় : 10:54:10 am, Tuesday, 30 December 2025

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশ এক অভিজ্ঞ, পরীক্ষিত ও কালজয়ী রাজনীতিককে হারাল বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দেওয়া এক শোকবার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি তার এক মহান অভিভাবককে হারিয়েছে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই ক্ষতিতে গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। তার রাজনৈতিক জীবন ও অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খালেদা জিয়া কেবল বিএনপির চেয়ারপারসন ছিলেন না; তিনি ছিলেন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক শক্তিশালী প্রতীক। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, বহুদলীয় রাজনীতির বিকাশ এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার অবদান অনস্বীকার্য। তার আপোষহীন নেতৃত্ব দেশকে স্বৈরশাসনের অন্ধকার সময় থেকে মুক্ত করার সাহস যুগিয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৮২ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর রাজনীতিতে এসে খালেদা জিয়া যে সংগ্রামী ভূমিকা গ্রহণ করেন, তা বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অনন্য উদাহরণ। স্বৈরশাসক এরশাদের দীর্ঘ ৯ বছরের শাসনের অবসানে তার নেতৃত্ব ছিল অন্যতম প্রধান শক্তি।

প্রধান উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, নারী শিক্ষার প্রসারে খালেদা জিয়ার ভূমিকা দেশের সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালু করে তিনি নারীদের শিক্ষায় অংশগ্রহণ বাড়ানোর পথ সুগম করেন। একই সঙ্গে ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর অর্থনৈতিক উদারীকরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করার উদ্যোগ নেন।

রাজনৈতিক জীবনে তার সাফল্যের কথা তুলে ধরে প্রফেসর ইউনূস বলেন, খালেদা জিয়া তার পুরো জীবনে কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। তিনি একাধিক আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে সংসদীয় রাজনীতিতে একটি বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে খালেদা জিয়া ছিলেন সংগ্রাম ও প্রতিরোধের এক অনন্য প্রতীক। আপোষহীন অবস্থানের কারণেই তাকে চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে এবং ১৭ বছর কারাবরণ করতে হয়েছে।

এই অপূরণীয় ক্ষতির দিনে প্রফেসর ইউনূস মরহুমার শোকসন্তপ্ত পরিবার, বিএনপির নেতাকর্মী এবং দেশবাসীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করার অনুরোধ করেন।