কেনাকাটা শেষে বাসায় ফেরা হলো না খাদিজা আক্তারের

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 01:12:13 pm, Friday, 3 May 2019
  • 1 সংবাদটি দেখা হয়েছে




অনলাইন ডেস্ক: রমজান মাসকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে ভোরে বাসা থেকে বের হয়েছিল তরুণীটি। কিন্তু কেনাকাটা শেষে বাসায় ফেরা হলো না তার।বাড়িতে ফেরার পথে নগরের দুই নম্বর গেইট এলাকায় রাস্তার পাশ দিয়ে পায়ে হেঁটে চলা ওই তরুণীকে চাপা দিয়ে হত্যা করে নগর দাপিয়ে বেড়ানো হিউম্যান হলার। শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শীলব্রত বড়ুয়া বলেন, সকাল পৌণে এগারটার দিকে আনুমানিক ২২-২৪ বছরের এক তরুণীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন পথচারীরা। আনার পরই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এসআই শীলব্রত বড়ুয়া বলেন, তরুণীর ব্যাগে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার একটি স্বর্ণের দোকানের স্লিপ পাওয়া গেছে। ওই স্লিপে তার নাম লেখা খাদিজা আক্তার। তবে ঠিকানা উল্লেখ নেই। এছাড়া তার হাতব্যাগে বেশকিছু টাকা রয়েছে। সঙ্গে রমজানের বেশকিছু প্রয়োজনীয় সামগ্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘাতক হিউম্যান হলারটি চালাচ্ছিলেন আনুমানিক ১৪ বছরের এক কিশোর। আসল চালক বাসায় ঘুমাচ্ছিলেন। আর রাস্তায় গাড়ি দিয়ে পাঠানো হয়েছিল সহকারী সোহেলকে। ঘটনার পরপরই নগরের পাঁচলাইশ থানার টহল পুলিশ সেই কিশোর চালক ও ঘাতক হিউম্যান হলারটি আটক করেছে।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে আটক সোহেল বলেছে আমার ‘ওস্তাদ’ (চালক) বাসায় ঘুমাচ্ছে। আমাকে বলে আমি ঘুম থেকে ওঠতে ওঠতে তুই একটা ট্রিপ মেরে আয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কেনাকাটা শেষে বাসায় ফেরা হলো না খাদিজা আক্তারের

প্রকাশের সময় : 01:12:13 pm, Friday, 3 May 2019

অনলাইন ডেস্ক: রমজান মাসকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে ভোরে বাসা থেকে বের হয়েছিল তরুণীটি। কিন্তু কেনাকাটা শেষে বাসায় ফেরা হলো না তার।বাড়িতে ফেরার পথে নগরের দুই নম্বর গেইট এলাকায় রাস্তার পাশ দিয়ে পায়ে হেঁটে চলা ওই তরুণীকে চাপা দিয়ে হত্যা করে নগর দাপিয়ে বেড়ানো হিউম্যান হলার। শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শীলব্রত বড়ুয়া বলেন, সকাল পৌণে এগারটার দিকে আনুমানিক ২২-২৪ বছরের এক তরুণীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন পথচারীরা। আনার পরই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এসআই শীলব্রত বড়ুয়া বলেন, তরুণীর ব্যাগে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার একটি স্বর্ণের দোকানের স্লিপ পাওয়া গেছে। ওই স্লিপে তার নাম লেখা খাদিজা আক্তার। তবে ঠিকানা উল্লেখ নেই। এছাড়া তার হাতব্যাগে বেশকিছু টাকা রয়েছে। সঙ্গে রমজানের বেশকিছু প্রয়োজনীয় সামগ্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘাতক হিউম্যান হলারটি চালাচ্ছিলেন আনুমানিক ১৪ বছরের এক কিশোর। আসল চালক বাসায় ঘুমাচ্ছিলেন। আর রাস্তায় গাড়ি দিয়ে পাঠানো হয়েছিল সহকারী সোহেলকে। ঘটনার পরপরই নগরের পাঁচলাইশ থানার টহল পুলিশ সেই কিশোর চালক ও ঘাতক হিউম্যান হলারটি আটক করেছে।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে আটক সোহেল বলেছে আমার ‘ওস্তাদ’ (চালক) বাসায় ঘুমাচ্ছে। আমাকে বলে আমি ঘুম থেকে ওঠতে ওঠতে তুই একটা ট্রিপ মেরে আয়।