কীর্তনখোলা নদীতে জেলেদের জালে বিরল প্রজাতির মাছ

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 03:27:42 pm, Tuesday, 17 March 2020
  • 0 সংবাদটি দেখা হয়েছে




রিয়াজ মামুদ আজিম॥ কীর্তনখোলা নদীতে জেলের জালে ‘সাকার মাউথ ক্যাটফিস’ নামের এক বিরল প্রজাতির মাছ ধরা পরেছে। সোমবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে নৌবন্দরস্থ নদীতে মাছ ধরার সময় আবু জাফর নামের এক জেলের জালে ধরা পরে এ বিরল প্রজাতির একাধিক মাছ। যার ভেতরে দুটি মাছের ওজন দুই কেজির ওপরে।

জেলেরা এটিকে ‘টাইগার মাছ’ বললেও মাছটির আসল নাম ‘সাকার মাউথ ক্যাটফিস’। এর শরীরে বাদামি ও কাল রঙের বিন্দু বিন্দু ছাপ রয়েছে। কয়েকমাস আগে একই প্রজাতির আরও একটি মাছ ধরা পরেছিল কীর্তনখোলা নদীতে। গুগলের তথ্য অনুসন্ধান করে জানা গেছে, সাধারণত এই মাছগুলো মুখ দিয়ে চুষে খাবার খায়। মাছটি সাধারণত একুরিয়ামে শোভাবর্ধক হিসেবে ব্যাবহার করা হয়।

 

বরিশাল মৎস্য অফিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিরল প্রজাতির এই মাছটি বিদেশী মাছ। বিভিন্ন দেশে এটি একুরিয়ামে শোভাবর্ধক হিসেবে ব্যাবহার করা হয়। এরা সাধারণত মিঠা পানির তলদেশে বাস করে এবং শেওলা জাতীয় উদ্ভিদ খায়।

 

এটি একুরিয়ামে শোভাবর্ধক হিসেবে ব্যবহৃত হলেও দেশের যশোর অঞ্চলে এ বিরল মাছটি চাষ হয় এবং ওই অঞ্চলের মানুষ এই মাছ খেয়েও থাকেন। ভারত কিংবা দেশের অভ্যন্তরের কোনো পুকুর থেকে মাছগুলো ভেসে আসতে পারে বলেও মৎস্য কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কীর্তনখোলা নদীতে জেলেদের জালে বিরল প্রজাতির মাছ

প্রকাশের সময় : 03:27:42 pm, Tuesday, 17 March 2020

রিয়াজ মামুদ আজিম॥ কীর্তনখোলা নদীতে জেলের জালে ‘সাকার মাউথ ক্যাটফিস’ নামের এক বিরল প্রজাতির মাছ ধরা পরেছে। সোমবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে নৌবন্দরস্থ নদীতে মাছ ধরার সময় আবু জাফর নামের এক জেলের জালে ধরা পরে এ বিরল প্রজাতির একাধিক মাছ। যার ভেতরে দুটি মাছের ওজন দুই কেজির ওপরে।

জেলেরা এটিকে ‘টাইগার মাছ’ বললেও মাছটির আসল নাম ‘সাকার মাউথ ক্যাটফিস’। এর শরীরে বাদামি ও কাল রঙের বিন্দু বিন্দু ছাপ রয়েছে। কয়েকমাস আগে একই প্রজাতির আরও একটি মাছ ধরা পরেছিল কীর্তনখোলা নদীতে। গুগলের তথ্য অনুসন্ধান করে জানা গেছে, সাধারণত এই মাছগুলো মুখ দিয়ে চুষে খাবার খায়। মাছটি সাধারণত একুরিয়ামে শোভাবর্ধক হিসেবে ব্যাবহার করা হয়।

 

বরিশাল মৎস্য অফিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিরল প্রজাতির এই মাছটি বিদেশী মাছ। বিভিন্ন দেশে এটি একুরিয়ামে শোভাবর্ধক হিসেবে ব্যাবহার করা হয়। এরা সাধারণত মিঠা পানির তলদেশে বাস করে এবং শেওলা জাতীয় উদ্ভিদ খায়।

 

এটি একুরিয়ামে শোভাবর্ধক হিসেবে ব্যবহৃত হলেও দেশের যশোর অঞ্চলে এ বিরল মাছটি চাষ হয় এবং ওই অঞ্চলের মানুষ এই মাছ খেয়েও থাকেন। ভারত কিংবা দেশের অভ্যন্তরের কোনো পুকুর থেকে মাছগুলো ভেসে আসতে পারে বলেও মৎস্য কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন।