বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




এপ্রিলে প্রবাসী আয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 07:55:27 pm, Sunday, 4 May 2025
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ডেস্ক রিপোর্ট ॥ এপ্রিল মাসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে নতুন রেকর্ড গড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২৭৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকার সমপরিমাণ। এটি দেশের ইতিহাসে একক মাসে রেমিট্যান্স আয়ের দিক থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে।

প্রতিদিন গড়ে ৯ কোটি ১৭ লাখ ডলার করে রেমিট্যান্স এসেছে এপ্রিলে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৫ শতাংশ বেশি। এতে বোঝা যায়, প্রবাসী আয় প্রবাহে একটি ইতিবাচক গতি তৈরি হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের ভূমিকা আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৪৫৪ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৯১২ কোটি ডলার। ফলে এবছর প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ২৮ দশমিক ৩৪ শতাংশে। এমনকি আগের পুরো অর্থবছরের তুলনাতেও এই ১০ মাসেই বেশি রেমিট্যান্স এসেছে, যা প্রবাসীদের আস্থার প্রতিফলন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে আরও দেখা যায়, মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলার এবং ডিসেম্বরে তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৬৪ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে অর্থবছরের শেষে রেমিট্যান্স প্রবাহ নতুন রেকর্ড গড়তে পারে বলে আশা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

শুধু রেমিট্যান্স নয়, রপ্তানি আয়েও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির ধারা দেখা যাচ্ছে। এপ্রিল পর্যন্ত রপ্তানি আয়ে ১১ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যা সামগ্রিক বৈদেশিক আয়ের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও দীর্ঘ সময় পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে। গত ৩০ এপ্রিল রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২২ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার, যা গত ২০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবৃদ্ধি প্রবাসীদের আস্থা এবং সরকারের অর্থনৈতিক নীতির সফল বাস্তবায়নের প্রতিফলন। চলমান বৈদেশিক চ্যালেঞ্জের মাঝেও এটি দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

এপ্রিলে প্রবাসী আয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড

প্রকাশের সময় : 07:55:27 pm, Sunday, 4 May 2025

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ এপ্রিল মাসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে নতুন রেকর্ড গড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২৭৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকার সমপরিমাণ। এটি দেশের ইতিহাসে একক মাসে রেমিট্যান্স আয়ের দিক থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে।

প্রতিদিন গড়ে ৯ কোটি ১৭ লাখ ডলার করে রেমিট্যান্স এসেছে এপ্রিলে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৫ শতাংশ বেশি। এতে বোঝা যায়, প্রবাসী আয় প্রবাহে একটি ইতিবাচক গতি তৈরি হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের ভূমিকা আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৪৫৪ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৯১২ কোটি ডলার। ফলে এবছর প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ২৮ দশমিক ৩৪ শতাংশে। এমনকি আগের পুরো অর্থবছরের তুলনাতেও এই ১০ মাসেই বেশি রেমিট্যান্স এসেছে, যা প্রবাসীদের আস্থার প্রতিফলন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে আরও দেখা যায়, মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলার এবং ডিসেম্বরে তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৬৪ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে অর্থবছরের শেষে রেমিট্যান্স প্রবাহ নতুন রেকর্ড গড়তে পারে বলে আশা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

শুধু রেমিট্যান্স নয়, রপ্তানি আয়েও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির ধারা দেখা যাচ্ছে। এপ্রিল পর্যন্ত রপ্তানি আয়ে ১১ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যা সামগ্রিক বৈদেশিক আয়ের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও দীর্ঘ সময় পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে। গত ৩০ এপ্রিল রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২২ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার, যা গত ২০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবৃদ্ধি প্রবাসীদের আস্থা এবং সরকারের অর্থনৈতিক নীতির সফল বাস্তবায়নের প্রতিফলন। চলমান বৈদেশিক চ্যালেঞ্জের মাঝেও এটি দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।