বিজ্ঞপ্তি :
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প
সংবাদ শিরোনাম:
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প




 উপকূলের লাখো পরিবারে নেই ইদ আনন্দ 

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 10:49:14 am, Monday, 25 May 2020
  • 1 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক।। ইদ আনন্দ নেই সাতক্ষীরা উপকূলের লাখো পরিবারে। করোনাকালে এবারের ইদ ঘরে বসে উদযাপনের সুযোগটুকুও পাবে না উপকূলের মানুষ। ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ তাদের সেই সুযোগটুকু থেকেও বঞ্চিত করেছে। উপকূলবাসীর এবারের ইদ কাটছে খেয়ে না খেয়ে, নৌকায় ভেসে অথবা সাইক্লোন শেল্টারে।

 

গত ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় গোটা উপকূলীয় এলাকা। এতে উপকূলের নদনদীর অন্তত ২০টি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ভেঙে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা, পদ্মপুকুর, কাশিমাড়ি ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন, আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর, শ্রীউলা ও আশাশুনি সদর এবং কালিগঞ্জ উপজেলার ৫০টিরও বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়।

 

ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ এখনো সংস্কার করা সম্ভব না হওয়ায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ারের সময় নদীর লোনা পানিতে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন গ্রাম। আগে থেকেই সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নেওয়ায় প্রাণে বাঁচলেও ভেসে গেছে উপকূলীয় জনপদের ঘরবাড়ি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ। বাঁচার তাগিদে এখন পানিতে ডুবে থাকা নিজ ঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন উপকূলের মানুষ। দেখা দিয়েছে খাদ্যাভাব। কেউ কেউ কোনোমতে নৌকায় জীবনযাপন করছেন। রাত পোহালেই যে ইদ, সে কথা ভুলে মনে উঠছে না তাদের।

এমনিতে করোনার কারণে দীর্ঘদিন কর্মহীন হয়ে ঘরবন্দি থেকে আয় উপার্জন ছিল না বললেই চলে। তার ওপর ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে থাকার শেষ আশ্রয়টুকুও কেড়ে নেওয়ায় ইদ আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে উপকূলবাসীর।

পানিতে তলিয়ে থাকা ঘরবাড়ি উদ্ধারসহ দিনে অন্তত একবার খাবারের চিন্তায় ব্যাকুল হয়ে থাকা পরিবারগুলোর কাছে পৌঁছায়নি ইদ আনন্দ।

সাইক্লোন শেল্টার, নৌকা অথবা খোলা আকাশের নিচে রাত-দিন পার করে দেওয়া পরিবারগুলো দুঃস্বপ্নের মধ্যে বসবাস’ করছে উল্লেখ করে জানায়, বেঁচে থাকার জন্য যারা লড়ছে, ইদ উৎসব তাদের জন্য নয়।

ভাঙনমুখে থাকা শ্যামনগর উপজেলার দাতিনাখালীর শামিমা খাতুন বলেন, ‘তিনবেলা খাবার জুটতেছে না, তাই ইদ নে কোন ভাবনা নি। কোন জাগা থেকে কিছু পালি ছাবাল-মেয়ে দুটোর মুখি দে ইদ এর দিনডা কাটিয়ে দেবানে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

Facebook

ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

 উপকূলের লাখো পরিবারে নেই ইদ আনন্দ 

প্রকাশের সময় : 10:49:14 am, Monday, 25 May 2020

ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক।। ইদ আনন্দ নেই সাতক্ষীরা উপকূলের লাখো পরিবারে। করোনাকালে এবারের ইদ ঘরে বসে উদযাপনের সুযোগটুকুও পাবে না উপকূলের মানুষ। ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ তাদের সেই সুযোগটুকু থেকেও বঞ্চিত করেছে। উপকূলবাসীর এবারের ইদ কাটছে খেয়ে না খেয়ে, নৌকায় ভেসে অথবা সাইক্লোন শেল্টারে।

 

গত ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় গোটা উপকূলীয় এলাকা। এতে উপকূলের নদনদীর অন্তত ২০টি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ভেঙে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা, পদ্মপুকুর, কাশিমাড়ি ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন, আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর, শ্রীউলা ও আশাশুনি সদর এবং কালিগঞ্জ উপজেলার ৫০টিরও বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়।

 

ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ এখনো সংস্কার করা সম্ভব না হওয়ায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ারের সময় নদীর লোনা পানিতে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন গ্রাম। আগে থেকেই সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নেওয়ায় প্রাণে বাঁচলেও ভেসে গেছে উপকূলীয় জনপদের ঘরবাড়ি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ। বাঁচার তাগিদে এখন পানিতে ডুবে থাকা নিজ ঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন উপকূলের মানুষ। দেখা দিয়েছে খাদ্যাভাব। কেউ কেউ কোনোমতে নৌকায় জীবনযাপন করছেন। রাত পোহালেই যে ইদ, সে কথা ভুলে মনে উঠছে না তাদের।

এমনিতে করোনার কারণে দীর্ঘদিন কর্মহীন হয়ে ঘরবন্দি থেকে আয় উপার্জন ছিল না বললেই চলে। তার ওপর ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে থাকার শেষ আশ্রয়টুকুও কেড়ে নেওয়ায় ইদ আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে উপকূলবাসীর।

পানিতে তলিয়ে থাকা ঘরবাড়ি উদ্ধারসহ দিনে অন্তত একবার খাবারের চিন্তায় ব্যাকুল হয়ে থাকা পরিবারগুলোর কাছে পৌঁছায়নি ইদ আনন্দ।

সাইক্লোন শেল্টার, নৌকা অথবা খোলা আকাশের নিচে রাত-দিন পার করে দেওয়া পরিবারগুলো দুঃস্বপ্নের মধ্যে বসবাস’ করছে উল্লেখ করে জানায়, বেঁচে থাকার জন্য যারা লড়ছে, ইদ উৎসব তাদের জন্য নয়।

ভাঙনমুখে থাকা শ্যামনগর উপজেলার দাতিনাখালীর শামিমা খাতুন বলেন, ‘তিনবেলা খাবার জুটতেছে না, তাই ইদ নে কোন ভাবনা নি। কোন জাগা থেকে কিছু পালি ছাবাল-মেয়ে দুটোর মুখি দে ইদ এর দিনডা কাটিয়ে দেবানে।