সংবাদ শিরোনাম:




স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দুই মণ জিলাপি বিতরণ !

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 05:40:05 pm, Monday, 13 December 2021
  • 10 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে গোলাম মোস্তফা (৪৫) নামে এক ব্যক্তি স্ত্রীকে তালাক দিয়ে এলাকায় দুই মণ জিলাপি বিতরণ করেছেন। এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

রোববার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে স্থানীয় শাহ আলম কাজীর উপস্থিতিতে উভয়ের সম্মতিতে তালাক সম্পন্ন হয়।

 

 

স্থানীয়রা জানান, প্রায় এক যুগ আগে মোস্তফা এবং ওই নারীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর প্রথম কিছুদিন তাদের সংসার ভালো চললেও সন্তান জন্মের পরপরই তাদের মধ্যে কলহ শুরু হয়। প্রায়ই তাদের সংসারে ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকতো। স্থানীয়ভাবে অনেকবার সমাধানের চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। পরে তারা বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন।

 

 

এ বিষয়ে গোলাম মোস্তফা জানান, স্ত্রী আমার অবাধ্য ছিল। জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছিল। ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আমাদের তালাক সম্পন্ন হয়েছে। এখন আমি মুক্ত, তাই খুশি হয়ে গ্রামে দুই মণ জিলাপি বিতরণ করেছি। গ্রামের সকল লোককে খাওয়াতে যদি আরও জিলাপির প্রয়োজন হয় তাও করবো।

 

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে কাজী শাহ আলম জানান, সাংসারিক জীবনে বনিবনা না হওয়ায় ওই দম্পতি বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন। খবর পেয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তালাক সম্পন্ন করা হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

Facebook

স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী-দেবর আটক

স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দুই মণ জিলাপি বিতরণ !

প্রকাশের সময় : 05:40:05 pm, Monday, 13 December 2021

ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে গোলাম মোস্তফা (৪৫) নামে এক ব্যক্তি স্ত্রীকে তালাক দিয়ে এলাকায় দুই মণ জিলাপি বিতরণ করেছেন। এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

রোববার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে স্থানীয় শাহ আলম কাজীর উপস্থিতিতে উভয়ের সম্মতিতে তালাক সম্পন্ন হয়।

 

 

স্থানীয়রা জানান, প্রায় এক যুগ আগে মোস্তফা এবং ওই নারীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর প্রথম কিছুদিন তাদের সংসার ভালো চললেও সন্তান জন্মের পরপরই তাদের মধ্যে কলহ শুরু হয়। প্রায়ই তাদের সংসারে ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকতো। স্থানীয়ভাবে অনেকবার সমাধানের চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। পরে তারা বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন।

 

 

এ বিষয়ে গোলাম মোস্তফা জানান, স্ত্রী আমার অবাধ্য ছিল। জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছিল। ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আমাদের তালাক সম্পন্ন হয়েছে। এখন আমি মুক্ত, তাই খুশি হয়ে গ্রামে দুই মণ জিলাপি বিতরণ করেছি। গ্রামের সকল লোককে খাওয়াতে যদি আরও জিলাপির প্রয়োজন হয় তাও করবো।

 

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে কাজী শাহ আলম জানান, সাংসারিক জীবনে বনিবনা না হওয়ায় ওই দম্পতি বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন। খবর পেয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তালাক সম্পন্ন করা হয়।