সংবাদ শিরোনাম:




বহুল আলোচিত পাকিস্তানী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় ২ অসামি রিমান্ডে

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 06:13:14 pm, Wednesday, 24 April 2019
  • 10 সংবাদটি দেখা হয়েছে




অনলাইন ডেস্ক: টাঙ্গাইলে গোপালপুরের বহুল আলোচিত পাকিস্তানি কিশোরীকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী আল আমীন ও তার ভাই সুমনের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।বুধবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতের বিচারক রুপম কুমার দাস এই রিমান্ড আদেশ দেন।

এদিকে ধর্ষক আল আমিনের মা জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। ধর্ষিতার মা মামলার বাদি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। বর্তমানে এই মামলায় ৩ জন গ্রেফতার রয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার কুড়িগ্রাম থেকে আল আমিনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব সদস্যরা। এরপর বুধবার আসামী আল আমীনকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোর্ট হাজতে প্রেরণ করেন।

এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দোভাষির মাধ্যমে ধর্ষিত কিশোরীর ২২ ধারার জবানবন্দী গ্রহণ করেন টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট নওরিন মাহবুব। বর্তমানে ধর্ষিত কিশোরী টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পুলিশী হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্তাবধায়ক ডাঃ নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, ঔ কিশোরীর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। চূড়ান্ত ফলাফল আদালতের মাধ্যমে জানা যাবে। কিশোরীর জন্য ৫ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠণ করা হয়েছে। সে এখন বিপদমুক্ত আছে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোপালপুর থানার এসআই সাদেকুর রহমান বলেন, আসামী আল আমিন ও তার ভাইয়ের আদালতে ৭ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। পরে আদালত তাদের ৪ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তার ভাই সুমন অপহরণের সাথে জড়িত ছিল।

গোপালপুর থানার ওসি হাসান আল মামুন জানান ভিসা নিয়ে পাকিস্তান থেকে মায়ের সাথে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন ঔ কিশোরী। সে পাকিস্তানের নিউ করাচির পুপার হাইওয়েজ রোডের নাগরিক এবং সেখানকার ছাত্রী।

গত ১৬ এপ্রিল মঙ্গলবার রাতে একদল সন্ত্রাসীর সহযোগিতায় তাকে কাকার বাড়ি থেকে কৌশলে অপহরণ করে তার আপন চাচাতো ভাই। পরে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করে।

এমতাবস্থায় গত ১৭ এপ্রিল বুধবার রাতে আল আমীনসহ তিনজনকে আসামী করে মেয়েটির নীলুফার বেগম গোপালপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে থানা পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার মহিষাকান্দি মোড়ের এক বাসা থেকে বন্দীবস্থায় ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে। ঐ দিনই আল আমিনের মাকে গ্রেফতার করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী-দেবর আটক

বহুল আলোচিত পাকিস্তানী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় ২ অসামি রিমান্ডে

প্রকাশের সময় : 06:13:14 pm, Wednesday, 24 April 2019

অনলাইন ডেস্ক: টাঙ্গাইলে গোপালপুরের বহুল আলোচিত পাকিস্তানি কিশোরীকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী আল আমীন ও তার ভাই সুমনের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।বুধবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতের বিচারক রুপম কুমার দাস এই রিমান্ড আদেশ দেন।

এদিকে ধর্ষক আল আমিনের মা জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। ধর্ষিতার মা মামলার বাদি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। বর্তমানে এই মামলায় ৩ জন গ্রেফতার রয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার কুড়িগ্রাম থেকে আল আমিনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব সদস্যরা। এরপর বুধবার আসামী আল আমীনকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোর্ট হাজতে প্রেরণ করেন।

এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দোভাষির মাধ্যমে ধর্ষিত কিশোরীর ২২ ধারার জবানবন্দী গ্রহণ করেন টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট নওরিন মাহবুব। বর্তমানে ধর্ষিত কিশোরী টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পুলিশী হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্তাবধায়ক ডাঃ নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, ঔ কিশোরীর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। চূড়ান্ত ফলাফল আদালতের মাধ্যমে জানা যাবে। কিশোরীর জন্য ৫ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠণ করা হয়েছে। সে এখন বিপদমুক্ত আছে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোপালপুর থানার এসআই সাদেকুর রহমান বলেন, আসামী আল আমিন ও তার ভাইয়ের আদালতে ৭ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। পরে আদালত তাদের ৪ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তার ভাই সুমন অপহরণের সাথে জড়িত ছিল।

গোপালপুর থানার ওসি হাসান আল মামুন জানান ভিসা নিয়ে পাকিস্তান থেকে মায়ের সাথে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন ঔ কিশোরী। সে পাকিস্তানের নিউ করাচির পুপার হাইওয়েজ রোডের নাগরিক এবং সেখানকার ছাত্রী।

গত ১৬ এপ্রিল মঙ্গলবার রাতে একদল সন্ত্রাসীর সহযোগিতায় তাকে কাকার বাড়ি থেকে কৌশলে অপহরণ করে তার আপন চাচাতো ভাই। পরে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করে।

এমতাবস্থায় গত ১৭ এপ্রিল বুধবার রাতে আল আমীনসহ তিনজনকে আসামী করে মেয়েটির নীলুফার বেগম গোপালপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে থানা পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার মহিষাকান্দি মোড়ের এক বাসা থেকে বন্দীবস্থায় ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে। ঐ দিনই আল আমিনের মাকে গ্রেফতার করা হয়।