সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন
ডেস্ক রিপোর্ট ॥ দেশের জেলা পরিষদগুলোর আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে ধর্মীয় প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত ও বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষদের জন্য সম্মানী প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজে শান্তি, সহনশীলতা ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিটি জেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে একজন ইমাম, খতিব অথবা ধর্মীয় প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি সরকারের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। ‘বিএনপি সরকার গঠনের পর আমরা দেরি না করে প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু করেছি’—বলেন তিনি।
তিনি জানান, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা নারীদের সহায়তায় সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করেছে, যা পর্যায়ক্রমে সারাদেশে সম্প্রসারণ করা হবে। একই সঙ্গে কৃষকদের সহায়তার জন্য আগামী ১৪ এপ্রিল পয়লা বৈশাখ থেকে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হবে।
এ ছাড়া ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হবে, যা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পানি ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক সহায়তার নতুন কর্মসূচি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন ধর্মীয় নেতা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন।
তিনি ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় নেতাদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা যদি ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কোনো সামাজিক বা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে চান, সরকার সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে।
Leave a Reply