বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ন
ডেস্ক রিপোর্ট ॥ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার মাধ্যমে নির্বাচনী দৌড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়েছেন। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে তার সম্পদের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ পেয়েছে।
দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক বিদেশে অবস্থান করা এই বিএনপি নেতার হলফনামা অনুযায়ী, তার অস্থাবর সম্পদের মূল ভিত্তি শেয়ার, ব্যাংক আমানত ও সঞ্চয় খাত। নগদ অর্থ ও ব্যাংকে জমা মিলিয়ে তার মোট অর্থের পরিমাণ ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা।
শেয়ার, বন্ড ও সঞ্চয়পত্র মিলিয়ে তার বিনিয়োগ রয়েছে ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৪ টাকা। পাশাপাশি বিভিন্ন তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে তার নামে রয়েছে ৪৫ লাখ টাকা এবং ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার। এ ছাড়া শেয়ার বাবদ আরও ৫ লাখ টাকার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
ফিক্সড ডিপোজিট রিসিপ্ট (এফডিআর) খাতে তারেক রহমানের জমা রয়েছে ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকা। অন্যান্য আমানত হিসেবে দেখানো হয়েছে আরও ১ লাখ টাকা, যা তার মোট আর্থিক সম্পদকে আরও শক্ত অবস্থানে রেখেছে।
ব্যক্তিগত সম্পদের তালিকায় অলঙ্কার ও আসবাবপত্রের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী, স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতুর গহনার মূল্য ২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং আসবাবপত্রের মূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা।
স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে কৃষি ও অকৃষি জমি এবং আবাসিক ভবন। অকৃষি জমি রয়েছে মোট ২ দশমিক ১ একর ও ১ দশমিক ৪ শতাংশ, যার অর্জনকালীন মূল্য ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। একই সঙ্গে ২ দশমিক ৯ শতাংশ জমির ওপর একটি আবাসিক বা বাণিজ্যিক ভবনের উল্লেখ রয়েছে, যা উপহার হিসেবে পাওয়া হওয়ায় এর আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি।
এ ছাড়া তার স্ত্রীর নামে যৌথ মালিকানায় রয়েছে ১১১ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি এবং ৮০০ বর্গফুটের একটি দোতলা ভবন, যেগুলোর মূল্যও অজানা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
হলফনামায় তারেক রহমান তার বিরুদ্ধে অতীতের একাধিক মামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে জানান, অধিকাংশ মামলাতেই তিনি খালাস পেয়েছেন অথবা মামলাগুলো খারিজ হয়েছে। বর্তমানে তার জানা মতে কোনো কার্যকর মামলা চলমান নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
Leave a Reply