বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৮ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় প্রার্থীর সামনে থেকে কর্মী অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালত থানাকে এজাহার গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। রোববার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ আদেশ দেন।
মামলায় আসামিরা হলেন-সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল-৫ আসনের একাদশ সংসদ নির্বাচনের মহাজোট মনোনীত প্রার্থী জাহিদ ফারুক শামীম, বরিশাল মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার মো. রুহুল আমিন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বরিশালের জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া, বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ওসি মোস্তফা কামাল হায়দার, পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ মো. ফয়সাল আহম্মেদ, এসআই আব্দুল মালেক, এএসআই সহিদুল ইসলাম, এএসআই রাসেল মিয়া, এএসআই এরফান হোসেন মিদুল, এএসআই রফিকুল ইসলাম, এএসআই মোহাম্মদ মিলন বিশ্বাস, এএসআই মেহেদী হাসান মোল্লা ও কনষ্টবল ফয়জুল।
মামলার বাদী মশিউল আলম খান পলাশ বলেন, নির্বাচনের সময় তিনি বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের সঙ্গে প্রচারণায় অংশ নেন। চন্দ্রমোহন এলাকায় লিফলেট বিতরণের জন্য যাওয়ার সময় তাদের নৌযানকে ধাওয়া করা হয় এবং পরে তাকে তুলে নেওয়া হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, অপহরণের পর তাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে মারধর ও নির্যাতন করা হয়। পরে বন্দর থানায় নিয়ে একাধিক মামলায় জড়ানো হয়। তিনি দাবি করেন, ঘটনাটি পরিকল্পিত ছিল এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে টার্গেট করা হয়।
বাদী আরও বলেন, অপহরণের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার কারণে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। তবে নির্যাতনের কারণে এখনও তার শারীরিক সমস্যা রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, মামলা দায়েরের পর দীর্ঘদিন প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি করা হয়। শেষ পর্যন্ত ঘটনাস্থল নির্ধারণের পর আদালত কোতোয়ালি মডেল থানাকে মামলা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
Leave a Reply