সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥ ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলা টানা ১৭ দিনে পৌঁছেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই হামলা সোমবার (১৬ মার্চ) পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং এতে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এবং বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইরানে হামলার পেছনে ইসরায়েল ও সৌদি আরবের চাপ ছিল। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, এই দুই দেশের প্রভাবেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিতেন। তিনি বলতেন, তেহরানে হামলার জন্য সৌদি ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।
তবে ব্যক্তিগতভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় তিনি ভিন্ন ধরনের সতর্কবার্তা দিতেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। সেখানে তিনি ট্রাম্পকে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
রোববার (১৫ মার্চ) নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে নতুন তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে ট্রাম্পকে আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ।
হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প নিয়মিতভাবে আরব বিশ্বের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। বিশেষ করে সৌদি যুবরাজের সঙ্গে তার কথোপকথন বেশি হচ্ছে।
হোয়াইট হাউসের কয়েকজন কর্মকর্তার মতে, এসব আলোচনায় সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর হামলা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
মার্কিন কর্মকর্তারা আরও জানান, এই আলোচনায় সৌদি আরবের প্রয়াত রাজা আব্দুল্লাহর একটি পুরোনো পরামর্শও উঠে আসছে। সেই পরামর্শে বলা হয়েছিল, ইরানের মতো শত্রুর মূল উৎস বা নেতৃত্বকে সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা প্রয়োজন।
Leave a Reply