বিএম কলেজে বামপন্থি সংগঠন ও ছাত্রলীগের মধ্যে উত্তেজনা Latest Update News of Bangladesh

শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] অথবা [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




বিএম কলেজে বামপন্থি সংগঠন ও ছাত্রলীগের মধ্যে উত্তেজনা

বিএম কলেজে বামপন্থি সংগঠন ও ছাত্রলীগের মধ্যে উত্তেজনা




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥  সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) দুই নেতা লাঞ্ছিত হওয়ার জেরে বরিশাল ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে বামপন্থি ছাত্র সংগঠন এবং ছাত্রলীগের একাংশের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলো ক্যাম্পাসে মানববন্ধনের চেষ্টা করলে ছাত্রলীগের বাধায় তা ব্যর্থ হয়। পরে তারা নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে মানববন্ধন করেছে। এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের দুই নেতা লাঞ্ছিতের ঘটনা ঘটে।

অপরদিকে ছাত্রলীগের একাংশও সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে সন্ত্রাস, মাদক, ইভটিজিং ও বহিরাগত মুক্ত নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে বিএম কলেজে পাল্টা মানববন্ধন করে।

লাঞ্ছিত ছাত্রফ্রন্টের দুই নেতা হলেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক সুজয় শুভ ও সদস্য সচিব আলিসা মুনতাজ। তারা উভয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

বিএম কলেজের ছাত্রলীগ নেতা (কমিটিহীন নেতা) রাশেদুল ইসলাম আকাশ বলেন, ১৫ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১০টায় বিএম কলেজের অন্ধকারাচ্ছন্ন সন্ধানী ব্লাড ডোনার ক্লাবের সামনে সুজয় শুভ ও আলিসা মুনতাজকে অপ্রীতিকর অবস্থায় দেখতে পান ছাত্রলীগ কর্মী লিওন। এ সময় তাদের ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যেতে বললে লিওনকে মারধর করে তারা। পরে সিনিয়ররা এসে মীমাংসার কথা বললে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আহ্বায়ক সুজয় শুভ জানান, সে দিন বিএম কলেজে বসে আলিসা মুনতাজের সঙ্গে সাংগঠনিক আলাপ চলছিল। সে সময় লিওন নামের এক দাবিদার ছাত্রলীগ নেতা এসে চলে যেতে বলে। এক পর্যায়ে লিওন আমাদের গালাগাল শুরু করে। এর প্রতিবাদ করলে লিওনের নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জন হামলা চালায়। বিষয়টি কলেজ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে কলেজ প্রশাসন নিবে। ছাত্রলীগকে তো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি এ কাজ করার জন্য।

পাল্টাপাল্টি অভিযোগ প্রসঙ্গে বিএম কলেজ শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আলামিন সরোয়ার বলেন, বিএম কলেজে বহিরাগত প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সেখানে রাতে বহিরাগতদের কলেজ ক্যাম্পাসে কাজটা কী জানি না। ১৫ জানুয়ারির ঘটনার পরপরই পুলিশকে জানানো হয়, কিন্তু তারা ঘটনাস্থলে এসেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ২১ জানুয়ারি ক্যাম্পাসে কর্মসূচি পালনে ছাত্রলীগ পূর্ব অনুমতি নিলেও ছাত্রফ্রন্ট নেয়নি।

এ দিকে ছাত্রফ্রন্টের দুই নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে সদর রোডে বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলোর মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বিএম কলেজ শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি কিশোর কুমার বালা।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন- গণসংহতি আন্দোলন বরিশাল জেলার আহ্বায়ক দেওয়ান আ. রশিদ নিলু, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট একে আজাদ, বাসদের জেলা সদস্য সচিব ডা. মনীষা চক্রবর্তী, ছাত্রনেতা নবীন আহমেদ, সুজয় বিশ্বাস, শম্পা দাশ প্রমুখ।

এছাড়া ক্যাম্পাস বহিরাগত প্রবেশমুক্ত রাখার দাবিতে বেলা ১১টার দিকে বিএম কলেজের জিরো পয়েন্টে মানববন্ধন করে ছাত্রলীগ কর্মীরা।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD