বাবুগঞ্জের হেলথ্ সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার এখন মৃত্যুফাদ! Latest Update News of Bangladesh

বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] অথবা [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




বাবুগঞ্জের হেলথ্ সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার এখন মৃত্যুফাদ!

বাবুগঞ্জের হেলথ্ সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার এখন মৃত্যুফাদ!




বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ বরিশালের বাবুগঞ্জের রহমতপুর বাজার রোডে অবস্থিত হেলথ্ সিটি ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার সেবার নামে মৃত্যু ফাঁদ খুলে বসেছে। মাইকিং করে মফাস্বলের সহজ সরল মানুষকে ভূল চিকিৎসা নিতে বাধ্য করছে বলে অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।ভূল রিপোর্ট,নিম্ম মানের সেবা দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে সাধারণ গরিব রোগিদের কষ্টের্জিত লক্ষ লক্ষ টাকা।মানুষ রোগ নির্নয়ের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী হেলথ্ সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিরিক্ষা করতে গেলে ভূল রিপোর্ট দিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয় প্রতিষ্ঠানটি। বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

গত ৬ প্রিল চাঁদপাশা এলাকার নাম প্রকাশে অনচ্ছুক একজন রোগিকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি পরিক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় হেলথ্ সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে । সেখানে এক হাজার টাকা জমা দিয়ে পরিক্ষা করানো হলে রোগী সুস্থ্য বলে সেবাচিমে কর্মরত ডাঃ আল-আমিন হোসাইন এমবিবিএস (এসবিএমসিএইচ),সিএমইউ সাক্ষরিত ভূল রির্পোট দেওয়া হয় । পরবর্তীর্তে ওই রোগীকে বরিশাল শহরের কনিকা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের একই পরিক্ষা করানো হলে পিত্তে (৯ মিলি মিটার) পাথর ধরা পরে। ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে সার্জারি বিশেষজ্ঞ মনিরুল আহসানের তত্ত্বাবধায়নে অপারেশন করানো হলে ছোট সাইজের ৬টি পাথর বের হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে,একজন রোগীর জন্য ভূল রিপোর্ট মৃত্যুর কারন হতে পারে। কারন রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে সবধরনের চিকিৎসা দেওয়া হয়।

হেলথ্ সিটি ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান সোহাগ দূঃখ প্রকাশ করে বলেন,আমরা অত্যধুনিক মেশিনের মাধ্যমে পরিক্ষা করে থাকি। হয়তো ডাক্তারের গাফলতিতে ভূল হতে পারে।প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পরিষদের মাষ্টার মোঃ শফিকুল ইসলাম দুঃখ প্রকাশ করে ভূল রিপোর্টের টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে দায়িত্ব এরিয়ে যান।এদিকে বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা রোজিনা আক্তারকে বিষয়টি অবহতির জন্য গত ৩দিন যাবৎ ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি।এঘটনায় ভূক্তভোগির পরিবার বরিশাল নিন্ম মেজিষ্ট্রেট আদলতে একটি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD