ইটভাটা বন্ধ করতে ১০০ দিনের কর্মসূচি নিয়েছে সরকার : পরিবেশমন্ত্রী Latest Update News of Bangladesh

শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] অথবা [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




ইটভাটা বন্ধ করতে ১০০ দিনের কর্মসূচি নিয়েছে সরকার : পরিবেশমন্ত্রী

ইটভাটা বন্ধ করতে ১০০ দিনের কর্মসূচি নিয়েছে সরকার : পরিবেশমন্ত্রী




ডেস্ক রিপোর্ট: ইটভাটা বন্ধ করতে সরকার ১০০ দিনের কর্মসূচি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘১০০ দিনের কর্মসূচিতে অবৈধ ইটভাটার বিষয়ে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে ৫০০ ইটভাটা বন্ধ করে দেব। এগুলো শুধু বন্ধ নয়, যাতে পরবর্তীতে আর চালু না করতে পারে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফেনী সার্কিট হাউসে গণমাধ্যম কর্মীদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

ইটভাটা বন্ধে মন্ত্রীর পূর্ব অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘আমাদের পূর্বের অভিজ্ঞতা হচ্ছে, আমরা ব্যবস্থা নিই, ভাটা বন্ধ করি, পরে আবার চালুও করা হয়।’

 

সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘ফেনীর ইটভাটাগুলো নিয়ে আমি যতটুকু জানি, যখন ভাটাগুলো স্থাপন করা হয় তখন কোনো বসতি আশপাশে ছিল না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল না।

 

এখন হয়ে গেছে। এসব কারণে ইটভাটাগুলো নবায়ন দেওয়া হচ্ছে না। এমতাবস্থায় আমরা ব্লকের প্যাকেজের দিকে যাচ্ছি। আমরা আশা করব এখানে যারা ভাটার মালিক রয়েছেন, তারা সরকার থেকে প্যাকেজ গ্রহণ করে ব্লকের দিকে যাবেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘কয়টা ইটভাটা আছে আমরা কয়টা অভিযান পরিচালনা করলাম এখন আমরা এই আলোচনায় থাকতে চাই না। আমরা চাইব, সবগুলো ভাটা বন্ধ হয়ে যাক। সবাই আধুনিক পদ্ধতিতে ব্লক তৈরি শুরু করুক। ব্লকের দুটো সুবিধা আছে―একটা হচ্ছে এখানে কোনো কৃষি মাটির ব্যবহার হবে না, আরেকটা হচ্ছে ব্লক তৈরিতে বায়ুদূষণ হয় না।’

 

নদী দখল ও দূষণের বিষয়ে অপর এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার জলাধার রক্ষায় ডিজিটাল ম্যাপিং করছে।

 

এর মাধ্যমে আমাদের সবগুলো, নদী, জমি, খাল ও জলাধার সম্পর্কে সুনিশ্চিত হতে পারব। এরপর এর মনিটরিং ভালোভাবে করতে পারব। দূষণের বিষয়ে আমরা কাজ করছি। কোন স্থানে কী পরিমাণ বর্জ্য তৈরি হয়, আমাদের পৌরসভার সক্ষমতা কী—এসব বিবেচনা করে আমরা বর্জ্য রিসাইক্লিংয়ের ব্যবস্থাপনা করে যাচ্ছি। এসব বিষয় নিয়ে আমরা শুধু সমস্যার কথা বলতে চাই না। সমাধানে কাজ করতে চাই।

 

এ সময় বন বিভাগের পরিচালক (ভূমি পরিমাপ) আনিস মাহমুদ, ফেনী জেলা প্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীন মোহাম্মদ, সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শওকত আরা কলিসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD